ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার ২ : অনলাইনে যা দেখেন তা সবই বিশ্বাস করবেন না 

সাইবার নিরাপত্তা’ এ যুগের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় এতে কোন রকম সন্দেহ নেই। কিছু সচেতনতা ও উপায় যার মাধ্যমে আমরা আমাদের বিভিন্ন রকম ক্ষতি থেকে নিরাপদ রাখতে পারি। ইন্টারনেটের এমন অনেক কন্টেন্ট দেখা যায় যাতে হিংসা ও সহিংসতা উস্কে দেবার বার্তা থাকে । এরকম বার্তা পড়লে/দেখলে, শেয়ার করলে কিংবা মন্তব্য করলেও বিপদে জড়িয়ে যাবার আশংকা থাকে ।

১। আপনার সহজাত বুদ্ধির উপর বিশ্বাস রাখুন।

২। বিপদজনক বিষয় থেকে নিরাপদ থাকুনঃ কোন হিংসাত্মক, আপত্তিজনক বা বিপদজনক ছবি, ভিডিও বা পোস্ট দেখলেঃ

দেখবেন না / পড়বেন না

শেয়ার করবেন না

মন্তব্য করবেন না

রিপোর্ট করবেন

৩।অনৈতিক ফেসবুক গ্রুপ / দল থেকে দূরে থাকুনঃ

> রিপোর্ট করুন

> ফেসবুক গ্রুপ পরিত্যাগ করুন

৪।আপনার পরিবারের সাথে কথা বলুন কারণ পরিবার আপনার গল্প এবং ভয় শেয়ার করার সেরা জায়গা

৫। অপরিচিত যারা ঝুঁকিপূর্ণ, উদ্দেশ্য হয়ত দুর্নীতিগ্রস্থ এবং যা বলে তারা হয়ত তা না এটা বোঝার চেষ্টা করুন,

৬। অনেকে অনলাইনে মিথ্যা, অবিশ্বস্ত ও অসত্য শেয়ার করতে পারে তা বুঝতে চেষ্টা করুন।

৭। যদি কেউ আপনার অস্বস্তির কারন হয় বা আপনাকে নির্দিষ্ট মতামত / মতামতে বিশ্বাসী করার চেষ্টা করে তার সম্পর্কে পরিবারের সদস্যের সাথে কথা বলুন;

*ইন্টারনেটে কোনও ডিলিট বাটন নেই এটি জেনে রাখুন। *আপনি অনলাইনে যা দেখেন তা সবই বিশ্বাস করবেন না

Know More

ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার ১ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার ১

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট আর মোবাইলের সহজলভ্যতার কারণে নানা রকম সুবিধার পাশাপাশি মানুষ নানা রকম ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট ও হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছে। অনেকে ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়গুলো সম্পর্কে না জানার কারণে নানা

ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হলে করণীয়ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হলে করণীয়

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে মধ্যেই হয়রানির শিকার হতে হয়। দেখা যায় নিজের একাউন্ট বেদখল হয়ে যায়। সাধারণত একাউন্ট হ্যাক হলে এমনটি হয়। তবে একাউন্ট হ্যাক হলেও কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া

অনলাইনে বিপদে পড়লে যা করবঅনলাইনে বিপদে পড়লে যা করব

অনলাইনের নানাবিধ সমস্যায় হয়রানির ঘটনা ঘটে প্রতিনিয়ত। আমরা অনেকেই এসব ঘটনার সাক্ষী থেকেই চুপচাপ থেকে যাই। কিন্ত আমাদের উচিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। হয়রানি বা হুমকির যারা সাক্ষী তারা চাইলেই