ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার ১

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট আর মোবাইলের সহজলভ্যতার কারণে নানা রকম সুবিধার পাশাপাশি মানুষ নানা রকম ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট ও হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছে। অনেকে ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়গুলো সম্পর্কে না জানার কারণে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে, সেগুলো হলো –

১। সঠিক ব্যবহারকারীর নাম এবং প্রোফাইল ছবি ব্যবহারঃ অনলাইন আইডিতে সঠিক ব্যবহাকারীর নাম এবং প্রোফাইল ছবি ব্যবহার করা উচিত। ফেক আইডি তৈরী করা বা ফেক আইডির কারো সাথে বন্ধুত্ব করা বিপদজনক।

২। ডেটা প্রাইভেসিঃ উপযুক্ত শিক্ষা এবং নিয়োগকর্তার বর্ণনা যুক্ত করুন বা আপনি যদি চান ব্যক্তিগত ডেটা লুকিয়ে রাখুন। ডেটা প্রাইভেসি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৩। নেতিবাচক পেজ বা গোষ্ঠী থেকে সাবধানতাঃ ফেসবুকের অনেক নেতিবাচক ও ক্ষতিকারক পেজ আছে তা থেকে নিজের আইডি আলাদা রাখা জরুরী।

৪। বন্ধু নির্বাচনে সাবধানতাঃ আপনার বন্ধুর তালিকাটি পরিষ্কার রাখুন, বন্ধু নির্বাচনে সচেতন থাকুন। অপরিচিত কেউকে ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করাই ভালো।

৫। শেয়ারে সাবধানতাঃ বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা এবং ফেক খবর শেয়ার করবেন না, সত্যতা যাচাই করে তথ্য শেয়ার করুন।

৬। পোষ্ট ও ট্যাগিংঃ সামাজিক মিডিয়াতে অনুপযুক্ত পোস্ট এবং খারাপ ফটো থেকে নিজেকে সরিয়ে দিন।

৭। মন্তব্যে সচেতনতাঃ সচেতনতার সাথে যত্ন সহ মন্তব্য করুন।

Know More

অনলাইন প্রতারণা শনাক্তকরণঅনলাইন প্রতারণা শনাক্তকরণ

বর্তমানে অনলাইনে প্রতারণা একটি নিত্ত নৈমিত্তিক ঘটনা। প্রতারণা থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রতারণা শনাক্তকরণ খুবই জরুরী। নিম্নোক্ত উপায়ে সহজেই প্রতারণা শনাক্ত করা সম্ভব – অনলাইন সংবাদ এবং ওয়েবসাইটগুলি: ১।ডোমেন নাম পরীক্ষা

অনলাইন গোপনীয়তাঅনলাইন গোপনীয়তা

সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজের ও অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা অত্যন্ত জরুরী। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সকল প্রকার অনলাইন সমস্যা থেকে সহজেই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। যা যা ব্যক্তিগত রাখবেন এবং অনলাইনে

ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হলে করণীয়ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হলে করণীয়

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে মধ্যেই হয়রানির শিকার হতে হয়। দেখা যায় নিজের একাউন্ট বেদখল হয়ে যায়। সাধারণত একাউন্ট হ্যাক হলে এমনটি হয়। তবে একাউন্ট হ্যাক হলেও কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া